ছেলের জন্মদিনের এতো টাকা কোথায় পেলো পরীমনি? তা নিয়ে সে মুখ খুললো সে নিজেই|অবাক করা তথ্য জানলো পরীমনি|what did porimoni says about his baby boys birthday?

 পরিমনির বাচ্চা রাজ্যর জন্মদিনে লাখ লাখ টাকা খরচ হয়েছে এবং এর জন্যই পরীমনিকে অনেক ধরনের প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়েছে। এমনকি এ নিয়ে মুখ খুলেছেন পরীমনি নিজেই আসুন জেনে নেই বিস্তারিত। 

ছেলের জন্মদিনের এতো টাকা কোথায় পেলো পরীমনি? তা নিয়ে সে মুখ খুললো সে নিজেই।


কিছুদিনই হলো পরিমনির ছেলে রাজ্যর জন্মদিন হয়েছে অনেক বেশি ধুমধাম করেই।হোটেল রেডিসন ব্লু তে এই অনুষ্ঠানটি করা হয়। ফুলের মধ্যে সে যে এসেছিল মা এবং ছেলে। এই অনুষ্ঠানে খরচ হয়ে যায় প্রায় ১৪ লক্ষ টাকারও বেশি ধরতে গেলে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকায় খরচ হয়ে যায়। এই জন্যই অনেকে এখন প্রশ্ন করছে এত টাকা খরচ করে কিভাবে পরীমনি তার ছেলের জন্মদিন পালন করলো? তবে পরিমাণ কিন্তু এই নিয়ে মোটেই চুপ নেই সেও কিন্তু মুখ খুলল সবার সামনে।


বর্তমান সময়ের অভিনেত্রী এবং অভিনেতাদের কিছু না কিছু হলেই তা নিয়ে সবাই তোলপাড় হয়ে যায়। ছোটখাটো একটা কাজই সবার নজর কেড়ে নেয়। এবং সেজন্যই হয়তো পরিমনির এত টাকা খরচ করার পেছনেও সবার ভিন্ন ভিন্ন মতামত রয়েছে। পরিমনি কিন্তু খুবই নামকরা একজন অভিনেত্রী ।সে যাই করে না কেন তাই ভাইরাল হয়ে যায়। নিউজফিডে কিছুদিন পরপরই তার একেকটার একেক রকম নিউজ শোনা যায়। বলা যাচ্ছে সব সময় ভাইরাল একটা টপিক। তবে রিসেন্টলি তিনি ভাইরাল হয়েছেন তার ছেলের জন্মদিন নিয়ে। তার ছেলে রাজ্যকে তিনি অনেক বেশি ভালোবাসেন। তাই ছেলের জন্মদিন কে স্মরণীয় করে রাখার জন্য বেশ বড় করেই তার প্রথম জন্মদিন পালন করল। 


আমরা সবাই জানি পরীমনি এবং রাজের সম্পর্ক কিন্তু বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। এবং এই নিয়ে কিন্তু নেট দুনিয়ার সবাই প্রায় রাজকেই দোষারোপ করছে। আর করবি বা না কেন একটা মাত্র ছেলে যার কিনা এক বছর পূর্ণ হয়নি তাকেই ছেড়ে চলে গেল তার বাবা। এবং এই নিয়েই পরিমনির মনে খুব কষ্ট। পরীমনি চেয়েছিল তার সন্তান এবং স্বামীকে নিয়ে সুখী ভাবে প্রথম জন্মদিনটা পালন করতে। কিন্তু দেখা গেল যে এইখানে শরিফুল রাজ পরীমনির ছেলের সাথে কোন খোঁজ খবরই রাখেননি ।তাই পরীমনি একাই নিজের ছেলে জন্মদিন করে স্মরণীয় করে রেখে দিলেন। 


পরিমনির স্বপ্ন ছিল পরীমনি এবং তার স্বামী শরিফুল রাজ মিলে তাদের ছেলের জন্মদিন পালন করবে। এবং চেয়েছিল তারা এইটাকে অনেক বেশি স্মরণীয় করে রাখবে। কিন্তু দেখা গেল যে এক বছর হওয়ার অনেক আগেই তাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেল এবং পরিমনির সব স্বপ্ন শেষ হয়ে গেল। তবে এজন্য কিন্তু পরীমনি থেমে থাকেনি। তিনি নিজে কষ্ট করে টাকা জমিয়ে তার ছেলের জন্মদিন অনেক ধুমধাম ভাবেই পালন করেছে। তবে যখন সবাই প্রশ্ন তুলল পরীমনিকে নিয়ে যে সে কিভাবে এত টাকা জোগাড় করল তখন তার মন খুব খারাপ হয়ে যায় এই ভেবে যে সে আর তার স্বামী মিলে এই টাকাগুলো যোগাড় দেওয়ার চেষ্টা করত। কিন্তু তা এখন তার একার করতে হলো। 


অনেকে প্রশ্ন করছে যে বাচ্চা কনসিভ করা থেকে শুরু করে হওয়ার পরে পর্যন্ত অনেকটা সময় কিন্তু পরিমনি কোন ধরনের মুভি করেনি। তাহলে এত টাকা সে কোথায় পেল ছেলের বাচ্চার জন্মদিন করার জন্য? সুন্দর করে পদ্মের টিমে এবং ফাইভ স্টার হোটেল রেডিসন ব্লু তে পরীমনি তার ছেলেকে নিয়ে অনুষ্ঠান করল। যার খরচ প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা ও পড়ে গিয়েছে। সে আরো জানিয়েছে সে আর রাজ নাকি একদম পরীমনির বাচ্চার প্রথম মাস বয়স থেকেই একটু একটু করে দুইজনেই টাকা জমা রেখেছিল ।তাদের দুজনেরই আশা ছিল যে তারা অনেক সুন্দর করে তাদের ছেলের প্রথম জন্মদিন পালন করবে। 


পরীমনি ছেলের জন্মদিনে অনেক সুন্দর করে তাকে একটি মেসেজ দেয়। সে বলে যে সে বড় হলে আস্তে আস্তে করে বুঝতে পারবে যে তার মা কত কষ্ট করে তাকে বড় করেছে বাবা ছাড়াই। এবং পরিমনি অনেক আফসোসের সাথে বলে যে তার বাবা তার একটু খোঁজও নেয়নি এতদিন। এবং সবচেয়ে বড় যে কথাটা হচ্ছে শরিফুল রাজ ছেলের খোঁজ না নেওয়াতে শরিফুল রাজের ছেলেই তাকে ভুলতে বসল। ছেলে এখন বাবাকে চিনতেই পারছে না। এবং এজন্য পরীমনির মনে কোন দুঃখ নেই। পরিমনি নিজেই বলেছেন সেই রাজ্যর বাবা এবং মা।এবং বলেন যে পরিমনির ছেলের রাজ্যর কোনো বাবার দরকার নেই আমি তার বাবা এবং মা ।


তবে পরিমনি মেয়ে হিসেবে যেমনই হোক মা হিসেবে সবচেয়ে সেরা বলাই যায়। কেননা তিনি লাইফে যা কিছুই করে থাকুক না কেন তিনি মা হিসেবে ছেলের জন্য অনেক বেশি কষ্ট করেছেন। ছোট থেকেই তার ছেলেকে একা একা মানুষ করেছেন। এবং এই নিয়ে ছেলেকে অনেক মেসেজ ও দিয়েছেন। বলেছে যে বাবা তোমার মা গলা চাপা কান্না নিয়ে তোমার সাথে হাসিমুখে কথা বলেছে এবং তোমাকে কষ্ট দিতে দেয়নি এইগুলো বড় হয়ে তুমি দেখবে এবং বুঝবে তোমার মা কত কষ্ট করেছে তোমার জন্য। অনেকেই পরীমনিকে পছন্দ করে না একজন অভিনেত্রী হিসেবে তবে পরিমনিকে মা হিসেবে সবাই অনেক পছন্দ করে। 


পরিমনি যখন শেয়ার করলো যে তার ছেলে তার বাবাকে চিনতে পারেনি তখন পরীমনি অবাক হয়নি। সে বলল যে বাবা যদি তার ছেলের খোঁজ না নে এবং ছেলেকে দেখতে না আসে তাহলে তো এইরকম হওয়াটাই স্বাভাবিক। তবে শরিফুল রাত তার বউকে ছেড়ে দিল তিনি তার ছেলের প্রতি কিন্তু মোটেই দায়িত্ব পালন করতে পারেনি। একজন বাবা কখনোই তার ছেলেকে এতদিন ছেড়ে থাকতে পারে না। বউ যেমনি হোক না কেন তার সাথে যোগাযোগ না থাকলেও তার উচিত ছিল তার ছেলের সাথে যোগাযোগ রাখার। রাজ্য এত ছোট ছেলের চেয়ে বুঝেই বা কি? সে তো এখনো বোঝে না যে তার বাবা এবং মার বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে। তাই পরিমনি এবং শরিফুল রাজের মধ্যে বিচ্ছেদ হওয়ার পরেও তাদের উচিত ছিল তাদের ছেলেকে যথেষ্ট সময় দেওয়া। যদিও পরীমনি তার ছেলের জন্য অনেক বেশি দায়িত্বশীল এবং যত্নবান তবে শরিফুল রাজ কিন্তু মোটেই তা নয়। এজন্য শরিফুল রাজকে অনেক কথা ও শুনতে হচ্ছে জনগণের কাছ থেকে। 


একটা পরিবার সুন্দর হয় বাবা এবং মায়ের সম্পূর্ণ ভালোবাসায়। অনেক বড় হবার পরও যদি কোন সন্তানের বাবা মায়ের বিচ্ছেদ হয়ে যায় তাহলে ও কিন্তু সেই সন্তানের ওপর অনেক ঝড় বয়ে যায়। সেই জায়গায় এইখানে আমরা জানলাম যে পরিমনির এবং শরিফুল রাজের বিচ্ছেদ হয়ে গিয়েছে তাদের ছেলেরা রাজ্যর এক বছর হওয়ার অনেক আগেই। সুতরাং পরীমনির এখন তার বাচ্চা ছেলেকে একা সামলানো অনেক কষ্টদায়ক এবং ছেলের জন্য তার বাবা ছাড়া থাকা অনেক বেশি কষ্টদায়ক। 


অবশেষে একটা কথাই বলা যায় যে পরিমনি মেয়ে হিসেবে যেমনই হোক মা হিসেবে সে সেরা। সে তার ছেলেকে যথেষ্ট টাইম দিচ্ছে এবং সে তার ছেলের প্রতি যথেষ্ট যত্নবান এবং দায়িত্বশীল। মাত্র ৭ দিনেই রাতকে ভালোবেসে বিয়ে করে ফেলেছিল পরীমনি। এবং তার জীবনে অনেক বড় একটা কাল হয়ে দাঁড়ালো। পরিমনির মত এত জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী রাতকে বিয়ে করার পরও রাত তার জীবনে আর থাকলো না। এবং মাঝখান দিয়ে ভুক্তভোগী হল তাদের ছেলে রাজ্য। একজন মায়ের তার ছোট ছেলেকে একা সামলানো কি যে একটা কষ্ট তা আসলে বলা অনেক মুশকিল। দোয়া রইল ছোট্ট এই রাজ্যের জন্য তার মা যেন তাকে সম্পূর্ণ ভালোবাসা দিয়ে রাখতে পারে। 

Post a Comment

0 Comments