যে ১০ টি কঠিন দুরারোগ্য রোগ আম খেলে সেরে যায়| বেঁচে যায় লক্ষ টাকা৷| বেঁচে যায় হাজার হাজার জীবন।| 10 incurable diseases will cure for eating mango| life will save for eating mango daily|

 আম পছন্দ করে না এমন মানুষ খুব কমই আছে। তবে এই আমে যে এত বেশি উপকারিতা আছে তা হয়তো খুব কম মানুষই জানে। অনেক কঠিন রোগের ঔষধ এই আম। আজকে এই তথ্য জানলে বেঁচে যাবে আপনার লক্ষ লক্ষ টাকা। আসুন আমরা আম সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই। 


১০ টি কঠিন রোগের সমাধান আম

১০ টি দুরারোগ্য রোগের ঔষধ আম

আম হচ্ছে বাংলাদেশের ফলের রাজা। আম খেতে যেমন অনেক বেশি মজা এবং সুস্বাদু হয় তার সাথে এইটাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায় যা আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত বেশি উপকারী। আম ছোট থেকে বড় প্রত্যেক বয়সের মানুষরাই খেতে পারে। এবং এমন মানুষ কমই আছে যারা কিনা আম পছন্দ করে না। এখন যখন আমরা আমের আরো অনেক বেশি গুনাগুন সম্পর্কে জানব তখন হয়তো আম খাওয়ার প্রতি আমাদের ইন্টারেস্ট আরো বেশি বেড়ে যাবে। আম তখন আমাদের খাওয়ার তালিকায় প্রথমে থাকবে ।আসুন আমের কিছু উপকারিতা সম্পর্কে আমরা জেনে নেই। 


১.,, 

আম রোগ প্রতিরোধ বাড়াতে সাহায্য করে। আম খাওয়ার ফলে রোগ প্রতিরোধ আমাদের বাড়ে। আমের মধ্যে আছে ভিটামিন সি এবং অন্যান্য এসেন্সিয়াল নিউট্রিয়াস  যা আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে । সুতরাং আম খেলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিন্তু অনেক বেশি বেড়ে যায়। যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। 


২.,,

শুধুমাত্র আমি না বরং আম পাতাও কিন্তু শরীরের জন্য অনেক বেশি উপকারী। আমরা হয়তো আম সবাই খাই আমের উপকারিতা সম্পর্কে জানি কিন্তু আমের পাতা তো এত উপকার আছে তা হয়তো আমরা অনেকেই জানিনা। ডায়াবেটিকস হচ্ছে বর্তমান দিনে একটা খুবই কমন রোগ ।আর প্রত্যেক মহিলাদেরই কিন্তু এই রোগটা বেশি আছে। এমনকি এখনকার দিনে একদম কম বয়সী ছেলেমেয়েদেরও ডায়াবেটিকস হয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এই ডায়াবেটিস থেকে একটু মুক্তি পাওয়ার জন্য আমরা কিন্তু একটা উপায় অবলম্বন করতে পারি। আম পাতা প্রত্যেকদিন পাঁচ থেকে ছয়টা পানিতে ফুটিয়ে নিয়ে ওই পাতাযুক্ত জল সারারাত রেখে পরদিন সকালে ছেকে নিয়ে একটু পান করতে হবে। যদিও এইটা খুবই ইউনিক একটা জিনিস তারপরও এইটাতে ডায়াবেটিসটা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকে। আপনারা হয়তো অনেকেই বিষয়টা জানতেন না তবে এটা কিন্তু রেগুলার খাওয়া যাবেনা। আর অনেক বেশি ও জাল দেওয়া যাবে না পানিটা। এবং এই ভাবেই কিন্তু আমারা ডায়াবেটিস থেকে অনেক বেশি পরিত্রাণ পেতে পারি। 


৩.,,,

,আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যাদের কিনা  রাতে ঠিকমত ঘুম হয় না। এবং এর জন্য অনেক ধরনের ওষুধ খেতে হয়। যা কিনা আমাদের শরীরের জন্য অনেক বেশি ক্ষতিকর। ডাক্তাররা আমাদেরকে সাজেস্ট করে কম ঘুমের ওষুধ খেতে। কারণ আমাদের ঘুমের ওষুধ খেলে শরীরের অনেক ক্ষতি হয়। এবং ঘুমের ওষুধ না খেলে অনেকেই আছে ঘুমাতে পারেন না। এবং একপর্যায়ে ঘুমের ওষুধ খেতে খেতে অভ্যস্ত হয়ে যায়। সেজন্য ঘুমের ওষুধ যত পারা যায় কম খাওয়া দরকার। এবং ঘুমের ওষুধের অভ্যাস ছাড়ানো দরকার। কিছু কিছু খাবার আছে যা খেলে কিনা ঘুম রাতে আসে। সুতরাং সেই সমস্ত খাবার যদি রাতে খাওয়া হয় তাহলে কিন্তু ঘুমের ওষুধটা খাওয়ার কোন প্রয়োজন পড়ে না। এবং আমও কিন্তু তারই মধ্যে পড়ে। আপনারা যদি প্রত্যেকদিন রাতে ঘুম না হলে একটা করে আম খান এবং তা যদি দুধের সঙ্গে পাকা আম খান তাহলে কিন্তু আপনাদের রাতে ভালো ঘুম হবে। এবং এটা দুধের সঙ্গে পাকা আম খেতে হবে। যাদের রাতে ভালো ঘুম হয় না মানে ঘুমটা একটু কম হয় বা ঘুম পাতলা হয় তারা কিন্তু এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করতে পারেন। এর দ্বারা কিন্তু আপনারা ঘুমের ওষুধ থেকেও পরিত্রাণ পেতে পারবেন। তবে খাওয়ার সাথে সাথে কিন্তু শোয়া উচিত না। আমরা ঘুমানোর কিছুক্ষণ আগে আমাদের খাবার কমপ্লিট করে ফেলব। আর তখনই যদি দুধের সঙ্গে একটা পাকা আম মাখিয়ে খান তাহলে আপনাদের ঘুমের টাইমে ঘুমটা একটু ভালো হবে। সুতরাং আপনারা এই পদ্ধতিটা অবলম্বন করতে পারেন ঘুমের ওষুধ খাওয়া থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে পারেন। এবং আপনার রাতে একটা সুন্দর ঘুম পেতে পারেন। 


 ৪. ,,,

আমাদের মধ্যে অনেকেই আছে যাদের কিনা শরীরের ওজন কোন কিছুতেই বাড়ছে না। এবং অনেকেই আছে যারা কিনা ঔষধ খেয়ে শরীরের ওজন বাড়াতে চান। যা কিনা শরীরে অনেক বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। তাই ওষুধ খাওয়া আমাদের বাদ দিতে হবে। এবং শরীর সুস্থ এবং হালকা যদি মোটা হতে চান তাহলে ,প্রত্যেকদিন তিন-চারটে পাকা আম খাবেন এবং এক গ্লাস দুধ খেয়ে নেবেন। এবং এই পাকা আম খেলে কিন্তু শরীরের ওজন বৃদ্ধি পায়। সুতরাং অনেকেই যারা কিনা শরীরের ওজন বাড়াতে চাচ্ছেন এই আমের মৌসুমে আম খাওয়া কিন্তু বাদ দিবেন না। যদি মোটা হতে চান বেশি বেশি আম খান। এই বেশি বেশি আমের কিন্তু কোন সাইড এফেক্ট নেই এবং এর ফলে যে অতিরিক্ত মোটা হয়ে যাবেন তারও কোন সম্ভাবনা নেই। তবে এটা আপনার শরীরের ওজন একটু বৃদ্ধি করে দেবে যাতে করে আপনার আগের ওজন থেকে একটু  মোটা হন। সুতরাং ওজন বাড়াতে আম খান এবং দুধ খান। 


৫. ,,,

এখন শুনলে অবাক হবেন যে আমি কিন্তু ওজন কমেও। জি আপনারা  ঠিকই শুনেছেন। তবে সেটা কাঁচা আমে সম্ভব ।পাকা আমে যেমন শরীরে ওজন বৃদ্ধি করে কাঁচা আমের তেমন শরীরের ওজন কমায়। কেননা কাঁচা আমের প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার আছে। এবং এই ফাইবার আমাদের মেটাবলিজম বাড়িয়ে হজম ক্ষমতাও বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে আমাদের হজম দ্রুত হয়ে থাকে এবং শরীরে ফ্যাট কম হয়। এবং আরো একটি কারণ আছে যা হল,পাকা আম অনেক বেশি মিষ্টি থাকায় এত চিনির পরিমাণ বেশি থাকে তাই ওজন বৃদ্ধি হয় তবে কাঁচা আমে যেহেতু চিনির পরিমাণ কম এবং টক থাকে তাই এইটা শরীরের মেদ বৃদ্ধি করে না ফলে ওজন আরো কমে যায়। আমাদের জন্য কত বেশি উপকারী। এবং কাঁচা আমের ধারা কিভাবে আমাদের শরীরের ওজন কমানো যায়। 


৬. ,,,

যাবে কিনা হার্টের সমস্যা আছে তারাও কিন্তু আম খেতে পারবেন। ভিটামিন সি সিরাম এবং  পেকটিন এবং এগুলো আমাদের শরীরের কোলেস্ট্রল কম করতে সাহায্য করে। বলা যায় যে বিশেষভাবে এলডিএল অর্থাৎ ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমায় এবং এইচডিএল অর্থাৎ ভালো কোলেস্ট্রল বাড়ায় যা কিনা সুস্থ হাটের জন্য অত্যন্ত বেশি প্রয়োজন। আপনারা হয়তো অবাক হয়ে গেছেন যে আম হার্টের জন্য কতটুকু বেশি গুরুত্বপূর্ণ। তবে এইটা কিন্তু অতিরিক্ত বেশি খাওয়া আপনাদের জন্য দরকার নেই। কেননা আম বেশি খেলে এত চিনির পরিমাণে বেশি আছে। তবে পরিমাণ মতো যদি প্রত্যেকদিন আপনারা দুটো বা তিনটে করে আম খান তাহলে এত করে আপনাদের কোলেস্টেরল কম করতে সাহায্য হবে। আপনাদের খারাপ ক্ষতি কোলেস্টেরল গুলো আমের মাধ্যমে কমে যাবে এবং ভালো কোলেস্টেরল গুলো বেড়ে যাবে। এবং আপনারা জানেন যে কোলেস্ট্রল কমলে হার্টের জন্য তা কতটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সুতরাং বলাই যায় যে আম আমাদের হার্টের জন্য খুবই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আম আমাদের হাটকে সুস্থ রাখে। 


৭. ,,,

আম এ কিন্তু ভিটামিন এ আছে। সুতরাং আপনারা হয়তো বুঝতেই পেরে গেছেন যে আম আমাদের চোখের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। ভিটামিন এ  যেহেতু আমাদের চোখের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আর আম এ যেহেতু ভিটামিন এ আছে তাই আম খাওয়া আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।আর আম অধিক মাত্রায় ভিটামিন এ থাকার জন্য এই এ আমাদের চোখের ড্রাইনেস কম করে দৃষ্টি শক্তি বাড়াতে সাহায্য করবে ।যা কিনা আমাদের শরীরের এবং চোখের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশের মানুষের চোখের সমস্যাটা প্রায় সবার মধ্যেই আছে। তাই সবারি উচিত আম খাওয়া। যাতে করে তাদের চোখের সমস্যার থেকে  পরিত্রাণ পেতে পারে। 


 ৮. ,,,

কিডনিতে পাথর কিন্তু মারাত্মক একটা রোগ। এই রোগ যদি একবার হয়ে যায় তাহলে কিন্তু এর থেকে মুক্ত পাওয়ার জন্য অপারেশন করতে হয়। এবং শরীরের বিভিন্ন ক্ষতি হয়ে থাকে। একবার যদি কি দিতে কোন সমস্যা হয় তাহলে সেই সমস্যা কিন্তু আমাদের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে অনেক ধরনের সমস্যা সৃষ্টি করে থাকে। এবং আমে যেহেতু ভিটামিন বি সিক্স আছে এবং এতে পটাশিয়াম থাকে,সুতরাং আমরা বলতে পারি যে আম আমাদের কিডনিতে পাথর হওয়া থেকে ঝুঁকি কিছুটা হলেও কমায়। তাই সবারই উচিত আম খাওয়া। তবে এত বেশিও খাওয়া উচিত না যাদের কিনা ডায়াবেটিস আছে।তাই কিডনিতে পাথরের ঝুঁকি কমাতে আমাদের একটু আম খাওয়া উচিত। ভিটামিন বি সিক্স এবং পটাশিয়াম কিডনিতে পাথর হওয়ার ঝুঁকি কমায়। 


 ৯. ,,,

যাদের রক্তস্বল্পতা আছে তারা যদি প্রতিদিন এক গ্লাস আমের জুস খায় তাহলে তারা রক্তস্বল্পতা থেকে মুক্তি পাবে। সুতরাং বলাই যায় আমের জুস রক্তস্বল্পতার ঔষধ। 


১০. ,,,

আম ক্যান্সার প্রতিরোধে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  এন্টিঅক্সিডেন্ট,এসট্রাগলিন ,মেথিল গ্লাটো ও প্রপার্টি থাকার জন্য এতে করে বেস্ট ক্যান্সার কোলন ক্যান্সার ও প্রোটেস্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে যায়। এতে করে আপনারা বুঝতেই পারছেন যে আমের গুরুত্বপূর্ণ অনেক বেশি। 


সুতরাং আমাদের প্রত্যেকদিন যেহেতু আমের সৃজন চলতেছে তাই আম খাওয়া দরকার। এত করে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং বিভিন্ন ধরনের রোগ থেকে আমরা পরিত্রান পাব। 

Post a Comment

0 Comments